ঢাকার বাতাসের ধুলায় এসির ফিল্টার তিন-চার মাসেই বন্ধ হয়ে আসে। ফিল্টার আটকে গেলে বাতাস কম যায়, ঘর ঠান্ডা হতে বেশি সময় লাগে এবং কম্প্রেসার বেশিক্ষণ চলে — বিলটা সেখানেই বাড়ে। শুধু ফিল্টার ধুয়ে ফেললে এই সমস্যা অর্ধেক সমাধান হয়।
আসল ময়লা জমে ব্লোয়ার হুইল ও ইভাপোরেটর কয়েলের ফিনে। আমরা ইনডোর ইউনিটের নিচে ওয়াশিং ব্যাগ লাগিয়ে জেট মেশিনে কয়েল ও ব্লোয়ার ধুই — ঘরে পানি পড়ে না। কালচে ছোপ ও গন্ধের জন্য অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ট্রিটমেন্ট। ড্রেন লাইন আটকে থাকলে (এসি থেকে পানি পড়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণ) সেটাও পরিষ্কার করা হয়। আউটডোর ইউনিটের কনডেন্সারও ধোয়া হয়।
যা এই সার্ভিসে নেই: গ্যাস রিফিল, কম্প্রেসার বা ইলেকট্রিক্যাল মেরামত। ক্লিনিংয়ের সময় কোনো সমস্যা ধরা পড়লে আমরা সৎভাবে জানিয়ে দিই — কিন্তু ক্লিনিংয়ের নামে গ্যাস ভরার বিল ধরাই না।
কতদিন পরপর: বছরে দুবার — গরম শুরুর আগে (মার্চ) ও বর্ষার পরে। রাস্তার পাশে বা নির্মাণকাজের কাছাকাছি হলে তিনবার। স্প্লিট, উইন্ডো, ক্যাসেট ও ডাক্টেড — সব ধরনের ইউনিট।