রেনোভেশন শেষ হওয়া আর ফ্ল্যাট ব্যবহারযোগ্য হওয়া এক কথা নয়। মিস্ত্রি চলে যাওয়ার পর ঘর দেখতে "হয়ে গেছে" মনে হয়, কিন্তু প্রতিটি সারফেসে সিমেন্ট-প্লাস্টারের সূক্ষ্ম ধুলার আস্তরণ থাকে, ফ্লোরে রঙের ফোঁটা, টাইলসে গ্রাউটের সাদা ছোপ, কাচে সিলিকনের দাগ আর ড্রেনে নির্মাণসামগ্রীর টুকরো জমে থাকে।
এই ধুলা সাধারণ ঝাড়ু-মপে ওঠে না — বরং ছড়িয়ে পড়ে। কারণ প্লাস্টারের কণা এত সূক্ষ্ম যে বাতাসে ভেসে থাকে এবং পরিষ্কারের পরেও ২৪-৪৮ ঘণ্টা ধরে ধীরে ধীরে নিচে নামতে থাকে। এজন্যই রেনোভেশন-পরবর্তী ক্লিনিং একবারের কাজ নয়, একাধিক ধাপের কাজ।
আমরা যেভাবে করি: প্রথমে ভাঙা টুকরো ও বর্জ্য ব্যাগে ভরে বের করা, তারপর সিলিং থেকে ফ্লোর পর্যন্ত শুকনো ভ্যাকুয়াম, এরপর টাইলসের সিমেন্ট-হেজ ও গ্রাউটের দাগে অ্যাসিড ওয়াশ, রঙের ফোঁটা ব্লেডে তুলে ফেলা, কেবিনেট-জানালার ট্র্যাক-সুইচবোর্ড ভেতর থেকে পরিষ্কার, শেষে ফ্লোর স্ক্রাব ও ডিসইনফেকশন। ২৪-৪৮ ঘণ্টা পরে আমরা আবার এসে দ্বিতীয়বার ধুলা পরিষ্কার করে দিই — এটাই আসল পার্থক্য।
ডিপ ক্লিনিং থেকে আলাদা কীভাবে? ডিপ ক্লিনিং ব্যবহৃত ফ্ল্যাটের জমে থাকা ময়লার জন্য। রেনোভেশন-পরবর্তী ক্লিনিং নির্মাণকাজের অবশিষ্টাংশের জন্য — বেশি সময়, বড় টিম, আলাদা কেমিক্যাল ও বর্জ্য অপসারণ লাগে, তাই দামও আলাদা।